বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১০

পুরাতন দিনের সেই সব প্রসেসর

আজকে আমরা যেই প্রসেসর গুলো দেখি তা কিন্তু আগে এমনটা ছিল না। আমি বলছি প্রথম যুগের কথা। থাক অতটা আগে আমরা না যাই। আমরা শুরু করবো, ৮০৮৫ প্রসেসর থেকে। আগেই বলে রাখি, এ পোস্টটি তে সবচাইতে বেশি বার বলা হয়েছে প্যাকেজ কথা টি, এটা কিন্তু packaging কথা থেকে নেয়া। সত্যি বলতে কি আমার নিজেরি পড়ার সময় ঝামেলা মনে হচ্ছিলো, তাই লাইন টা সংযুক্ত করলাম।
৮০৮৫, ৮০৮৬, ৮০৮৮ প্রসেসর গুলোর প্যাকেজ সিস্টেমটি ছিলো, ৪০ পিন, প্লাস্টিক ডি আই পি (DIP)।যা দেখতে আমাদের এখনকার IC র মতন।

৮০১৮৬ এবং কিছু ৮০২৮৬ প্রসেসর গুলোর প্যাকেজ সিস্টেম আবার অন্য রকম ছিল, এগুলো ছিল, স্কয়ার শেপ, ৬৮ পিন প্লাস্টিক এল সি সি (LCC) বা প্লাস্টিক লিডেড চিপ কেরিয়ার (Plastic Leaded Chip Carrier)



আমরা অনেকেই ভাবি, আজকের দিনের পিন লেস প্রসেসর গুলো আধুনিক টেকনোলজির ফসল। আসলেই কি তাই ? চলুন দেখি Intel এর R0C186 প্রসেসর টি, কি দেখলেন ? পিনলেস প্রসেসর আগেও তৈরী হয়েছিল। এই প্যাকেজ সিস্টেম টি আগের মতই, এল সি সি টেকনোলজি, তবে পার্থক্য এটা সিরামিক লিডেড চিপ কেরিয়ার (Ceramic Leaded Chip Carrier).







এবার আসুন দেখি, আমাদের Intel এর ৮০১৮৬ এবং ৮০২৮৬ এর পরের প্রসেসর গুলোর প্যাকেজ সিস্টেম কি ছিল, ৮০৩৮৬,এর প্রসেসর গুলো র বেশ কয়েক টি প্যাকেজ বের করা হয়েছে। যেমন, ১০০ পিন প্লাস্টিক কোয়াড ফ্লাট প্যাক (QFP – Quad Flat Pack) যা ছিলো ৮০৩৮৬- এস এক্স, বিল্ট-ইন প্রসেসর এর জন্য। আবার ৮০৩৮৬- ডি এক্স প্রসেরর গুলোর প্যাকেজ সিস্টেম ছিল, ১৩২ পিন সিরামিক পিন গ্রিড এ্যারে (Ceramic Pin Grid Array বা C PGA).



৮০৪৮৬ এর প্রসেসর গুলোও তার আগের ধারাবাহিকতায়, ৮০৪৮৬ ডি এক্স সিরিজ টি আসলো, ১৬৮ পিন সিরামিক পিন গ্রিড এ্যারে প্যাকেজ সিস্টেম এ (তবে ল্যাপটপ এর ৮০৪৮৬ প্রসেসর – SB80486DX2 টি কিন্তু ২০৮ পিন প্লাস্টিক কোয়াড ফ্লাট প্যাক এরই ছিল), ১৬৮ পিন সিরামিক পিন গ্রিড এ্যারে এবং ১৯৬ পিন প্লাস্টিক কোয়াড ফ্লাট প্যাক দুটোই বের হয়ে ছিল।


এর পরে এসেছিল, পেন্টিয়াম এবং পেন্টিয়াম এম এম এক্স। পেন্টিয়াম এবং পেন্টিয়াম এম এম এক্স দুটোই কিন্তু সিরামিক এবং প্লাস্টিক স্ট্যাগারড পিন গ্রিড এ্যারে (Staggered Pin Grid Array- SPGA) প্যাকেজ সিস্টেম এ করা। A8050XXXX সিরিজ টি সিরামিক স্ট্যাগারড পিন গ্রিড এ্যারে প্যাকেজ এ এবং FV8053XXX সিরিজ টি প্লাস্টিক স্ট্যাগারড পিন গ্রিড এ্যারে প্যাকেজ সিস্টেম এ তৈরী।


এখন যে প্রসেসর টি নিয়ে আপনাদের সামনে আসছি তা হচ্ছে ইন্টেল পেন্টিয়াম প্রো। এখানে একটু বলে রাখি, এ প্রসেসর টা আমার সংগ্রহে আনতে আমাকে সুদীর্ঘ ছয় বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। ইন্টেল পেন্টিয়াম প্রো, ৩৮৭ পিন, মডিফাইড স্ট্যাগারড পিন গ্রিড এ্যারে, সাথে গোল্ড প্লেটেড হিট স্প্রেডার (387-pin modified Ceramic Staggered Pin Grid Array, with Gold plated heat spreader)প্যাকেজ সিস্টেম এ।বলাযায়, এই পেস্টিয়াম প্রো দিয়েই শেষ হয়ে যায় ইন্টেল এর সিরামিক প্রসেসর এর যুগ। কেননা, ইন্টেল পেন্টিয়াম প্রো এর পরে, আর কোন সিরামিক ডাই প্রসেসর তৈরি হয়নি।




ইন্টেল পেন্টিয়াম প্রো এর পরে আসলো পেন্টিয়াম ২ এবং পেন্টিয়াম ৩। পেন্টিয়াম ২ এর সবগুলো প্রসেসর ছিল,সিঙ্গেল এজ কন্টাক্ট কার্ট্রিজ (Single Edge Contact cartridge) প্যাকেজ সিস্টেমের (আমরা অনেকে ক্যামেরা প্রসেসর ও বলে থাকি)। এ প্রসেসর গুল আকারে হত বিশাল। সিঙ্গেল এজ কন্টাক্ট কার্ট্রিজ প্রসেসর গুলো কে আবার স্লট ১ (Slot 1) প্রসেসর নামেও ডাকা হত পেন্টিয়াম ৩ তে এসে, প্রথমে ইন্টেল তাদের প্রসেসর গুলো কে সিঙ্গেল এজ কন্টাক্ট কার্ট্রিজ প্যাকেজ করলেও পরবর্তিতে আবার পিন গ্রিড এ্যারে প্যাকেজ সিস্টেম এ তারা ফিরে আসে, যার নাম ছিল, ফ্লিপ-চিপ গ্রিড এ্যারে প্যাকেজ।যা সকেট ৩৭০ (Socket 370) নামেও পরিচিত।




প্রথম দিককার ইন্টেল পেন্টিয়াম 4 প্রসেসর Willamette এর কথা আপনাদের কি মনে আছে ? আজকের মতন এতটা ছোট কিন্তু ছিল না । ২.১ x ২.১ ইঞ্চি অরগানিক লেন্ড গ্রিড এ্যারে প্যাকেজ উইথ ইন্ট্রিগ্রেটেড হিট স্প্রেডার [Organic Land Grid Array (OLGA) package with Integrated Heat Spreader (IHS)]. ৪২৩ পিনের এ প্রসেসর টি সকেট ৪২৩ এর জন্য তৈরি হয়েছিল।



এর পরে আসলো, পেন্টিয়াম 4 প্রসেসর Northwood, Prescott, Cedar Mill, যার মধ্যে, Cedar Mill এক মাত্র প্রসেসর যা শুধু মাত্র পিন লেস প্রসেসর হিসেবে বাজারে আসে। Northwood, Prescott প্রসেসর এর মধ্যে, Northwood টা ছিল, ৪৭৮ পিন ফ্লিপ চিপ পিজিএ (পিন গ্রিড এ্যারে) (478-pin Flip-Chip Pin Grid Array), কিন্তু Prescott সিরিজ এর কিছু প্রসেসর ৪৭৮ পিন ফ্লিপ চিপ পিজিএ এবং কিছু, ৭৭৫ লেন্ড গ্রিড এ্যারে (775 LGA) প্যাকেজ়ে বাজারে আসে।



বিঃদ্রঃ ১। আমি আমার এ পোস্টটি তে সে সমস্ত প্রসেসর এর কথা বলার চেষ্টা করেছি, যাদের কে আমরা আর দেখছি না । এখানে Duel Core, Core 2 Duo, Quad Core, Core i3, i5, i7, সিরিজ গুলো দেয়া হয় নি, কারন এ প্রসেসর গুলো এখনো নতুন হিসাবেই আছে।

২। ছবি গুলো সমস্ত নেয়া হয়েছে http://computer-museum.110mb.com/ থেকে, details নেয়া হয়েছে, http://www.cpu-world.com/ থেকে।

৩। এখানে শুধু মাত্র Intel এর প্রসেসর নিয়ে কথা বলা হয়েছে।


»» read more

বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১০

ভবিষ্যতের প্রযুক্তিঃ তারহীন বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা

১৮৯৬ সালে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু কলকাতা প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে কলকাতা বিঞ্জানাগারের তিন কিরোমিটার দূরত্বে সিগনাল প্রেরণ করতে সমর্থ হন। সেই থেকে তারহীন জগতে প্রবেশ করে এ বিশ্ব। সব বৈদ্যুতিক পন্যকে তারের ঝামেলামুক্ত করার উদ্দেশ্যে কাজ চলছে। রেডিও, টিভি, মোবাইল প্রযুক্তি, ওয়ারলেস নেটওয়ার্কসহ সব তথ্যকে আদান প্রদানের জন্য তারহীন মাধ্যমের ব্যাবস্থা করা গেলেও তারের সংযোগ ছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ করাটা অসম্ভব বলেই জানা ছিল।

WiTrycity ভবিষ্যতের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহের কয়েকটি সফল প্রোজেক্ট সম্পাদন করেছে। তারহীন বিদ্যৎ সরবরাহ করা সম্ভব হরে মোবাইল ও ল্যাপটপ চার্জ দেওয়ার জন্য প্লাগ লাগানোর ঝামেলা থাকবে না। আর এই সুবিধাটির জন্য ম্যাগনেটিক ফিল্ড ব্যবহার করা হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট দুরত্বে কয়েলে প্যাচানো সলিনয়েডের চার পাসে একটা ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরী হয়- যা আবার বিদ্যৎ শক্তিতে রুপান্তরিত করা সম্ভব। বেপারটা মূলতঃ

বিদ্যুৎ শক্তি > তরিত্ব বিদ্যুৎ > বিদ্যুত শক্তি তে রুপান্তরের মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি চলে।

বিদ্যুৎ প্রবাহের বেপারটিতে বিদ্যুৎ শক্তির অপচয়ের বেপারটি সবচেয়ে বড় সমস্যা। যত বেশি দুরত্বে বিদ্যুৎ পাঠাতে হয় তত বেশি বিদ্যুৎ অপচয় হয়।
Eric Giler এর ওয়ারলেস বিদুৎ সম্পর্কিত ভিডিওটি দেখুন। ভেডিওটিতে একটি এলসিডিটিভি ও একটি এপল আইফোন ওয়্যারলেস প্রযুক্তিতে কিভাবে পাওয়ার দেওয়া হলো তা দেখানো হয়েছে।



আমার ধারনা ওয়্যাররেস বিদ্যুৎ প্রবাহের পদ্ধতিটির চেয়ে সৌর বিদ্যৎ বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করবে। কারন এটি একইসাথে ওয়্যারলেস ও শক্তির উৎস।
»» read more
রোবটিক গবেষনায় যেভাবে বিভিন্ন দেশ এগিয়ে চলেছে তাতে বলা যায় ভবিষ্যতে হয়তো পৃথিবীটাতে রোবটের রাজত্ব থাকবে। এর এরই ধারাবাহিক উন্নতির সাথে সাথে এবার আবিষ্কৃত হলো সাপ রোবট। Carnegie Mellon’s Biorobotics Lab এ সাপ আকৃতির রোবটটি এ উদ্ভাবিত হয়েছে যার নাম দেয়া হয়েছে ‘আঙ্কেল স্যাম’



এই রোবটটি বিভিন্নভাবে পথ অতিক্রম করতে পারে। এটি আড়াআড়িভাবে পথ অতিক্রম ও লম্বলম্বিভাবে গাছে উঠতে পারে। মূলতঃ সাপের বিভিন্ন পদ্ধতে পথ চলার উপরে গবেষনা করে এই রোবটটি তৈরী করা হয়। এর সামনের দিকে ক্যামেরা আছে যার মাধ্যমে সামনের বস্তু সম্পর্কিত ধারনা লাভ করে।



মানুষের মতো রোবট বানানোর চেয়ে এই রোবট অনেক সহজভাবে কাজ করতে পারবে। বিশেষ করে যেসব পথে যানবাহন চলাচল কঠিন সেখানে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য এটি বেশ কাজে দিবে। এছাড়াও ভুমিকম্প কবলিত দালানে জীবিত ব্যাক্তিদের খুঁজে বের করার কাজেও এটি সহায়তা করতে পারবে। তবে প্রাথমিকভাবে এর অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে পাওয়ার সাপ্লাই। অদূর ভবিষ্যতে এর পাওয়ার সাপ্লাই সহ আরো বিভিন্ন দিকের উন্নত করে বাজারজাত শুরু হয়েও যেতে পারে। সেই পর্যন্ত অপেক্ষা।

লেখাটি পছন্দ হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং কমেন্টস দিন
»» read more

মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১০

শিরোনামহীনতায় বিশ্বাসী এপলের নতুন অপারেটিং সিস্টেম OS X

শিশু জন্মের কয়েকদিন পরেই তার নাম কি রাখা হবে তাই নিয়ে ভাবনা চিন্তা আর জল্পনা কল্পনা চলে বাবা মা আর পরিচিতদের মাঝে। নাম না রাখা পর্যন্ত এক এক জন এক এক নামে ডাকলেও নাম রাখার পরে শিশুটির সকল পরিচয় প্রকাশিত হয় তার একটি নামের মাধ্যমে। একই ভাবে কম্পিউটারের প্রতিটি প্রোগ্রামের পরিচায়ক নামটি আমরা দেখতে পাই তার টাইটেলবারে। কিন্তু এপলের OS X Lion নামক পরিবর্তি অপারেটিং সিস্টেমটিতে থাকবে না টাইটেলবারে। নিচের ছবিটিতে দেখুন এ অপারেটিং সিস্টেমের ভিজুয়াল ইন্টারফেস।


ম্যাক প্রায়শই একেবারে ভিন্ন চিন্তার নতুন নতুন প্রযুক্তি পন্য এনে দিচ্ছে মানুষের হাতের নাগালে। নতুন এ অপারেটিং সিস্টেমটিতে তারই ধারাবাহিক প্রকাশনা দেখা যায়। মোবাইল এপ্লিকেশনগুলোর দিকে তাকালেও দেখা যায় যে, অধিকাংশ এপ্লিকেশনে তার নিজের শিরোনাম/এপ্লিকেশনটির নাম লেখা থাকে না। আইপডের জন্য সুন্দরবাবে সামঞ্জস্য এ অপারেটিং সিস্টেমটিতে সম্পূর্ণ স্ক্রিনে এপ্লিকেশনগুলো দেখানোর প্রয়াশই চলছে।
একটা কথা বলা প্রয়োজন যে, নিত্য দিনে একই ধরনের ডিজাইন আর চিন্তা চেতনায় আমরা অনেকটা একমূখী হয়ে পরেছিলাম। ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যাপক ধরনের পরিবর্তনের একটা চিন্তা ধারা আর নতুন মোবাইল প্রযুক্তি এক সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। খুব অল্প দিনেই হয়তো কম্পিউটারের আপারেটিং সিষ্টেমগুলো অনেক বেশি ভিন্নতা নিয়ে আসবে। গুগল এন্ড্রয়েড, লিনাক্স ও তার বিভিন্ন সংস্করণ, ওপেন সোর্স সিএমএস , নিত্য নতুন ওয়েব ও মোবাইল এপ্লিকেশনগুলো এখন সবাইকে প্রযুক্তির ভিন্নতা উপস্থাপন করতে পথ দেখাচ্ছে।


থাম্বনেইল আকারে বিভিন্ন এপ্লিকেশনগুলোর তালিকা বিভিন্ন রকমে সাজানো ও তার নান্দনিক প্রকাশনাও দেখতে পাওয়ে যাবে এখানে। লক্ষনীয় যে, আগে যেখানে নাম ধরে প্রোগ্রামগুলোকে খোলা হতো এখন তা না করে এপ্লিকেশনটির ছবি দেখে তা খোলা হবে।
আদিকালে মানুষের ভাব প্রকাশ করতে বিভিন্ন চিত্রাঙ্কন করা হতো। এখন হয়তো আমরা সেই পথেই এগিয়ে যাচ্ছি। মতামত আর আলোচনার প্রত্যাশা রইলো।
»» read more

আসছে গ্লাভসের মতো দেখতে এয়ার মাউস

গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত পরিমাণে মাউস ব্যবহার করার কারণে রিপিটিটিভ স্ট্রেস ইনজুরি হতে পারে। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের মধ্যে অনেকেই অতিরিক্ত বলতে দিনের মধ্যে বেশ কয়েক ঘন্টা কম্পিউটার ব্যবহার করি। সর্বপ্রথম স্ট্যানফোর্ড রিসার্স ইন্সটিটিউটে মাউস শব্দটি ১৯৬৫ সালর দিকে ব্যবহৃত হওয়া ও ১৯৮৪ সালের দিকে বানিজ্যেকভাবে এ্যপল ম্যাকিনটোশের সাথে বাজারে আসার পর থেকে এ যন্ত্রটি কম্পিউটার ব্যাহারকারীদের অত্যন্ত প্রিয়। এক কথায় বলতে গেলে আজকের দিনে মাউসই কম্পিউটার ব্যাবহারের চাবিকাঠি। হালের নোটবুক বা নেটবুকে শক্তিশালী টাচপ্যাড থাকার পরেও অনেককে ইউএসবি মাউসেই সাচ্ছন্দ বোধ করতে দেখা যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে এটি কম্পিউটার ব্যবহাকারীদের জন্য কাল হয়ে দাড়াচ্ছে। উপরে বর্ণিত রিপিটেটিভ ইনজুরি আজকাল প্রায়ই শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে যারা অতিরিক্ত গেম খেলে। সৌভাগ্যবশত মাউস ব্যবহার করার বিকল্প একটি উপায় আছে যা হাত ও বাহুর জন্য আরও বেশি সহজ হবে। এর মধ্যে মজাদার একটি হলো এয়ার মাউস যা অল্প কিছুদিনের মাঝেই বাজারে  আসবে। এটি তৈরি করেছে কানাডিয়ান একটি ফার্ম-  ডেনমার্ক লিমিটেড।


এটি ইউনিক যে ব্যাপারটির জন্য তা হলো এটি গ্লোভের মতো করে হাতে পরতে হবে। ডেনমার্কের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক বাজরামোভিক এবং ওরিন টেসলার বিশ্ববিদ্যালয়ে সহপাঠি ছিলেন। মার্ক বলেন, ‘আমাদের প্রথম বর্ষের মাঝামাঝি সময়ে আমি একটা কম্পিউটার মাউস বানিয়েছিলাম (যা ব্যবহার করলেও রিপিটিটিড স্ট্রেস ইনজুরির সমস্যা হতো) এবং সেটা ব্যবহার করে প্রায় কয়েক সপ্তাহ আমার হাত এবং বাহু অসাড় হয়েছিল। অসাড়তা, ব্যাথা সে সব কিছুই যা তোমরা রিপিটিটিভ স্ট্রেস ইনজুরি বলতে বোঝ তা সবই আমার হয়েছিল’। ঐ সেমিস্টার পরে মার্ক এবং অরিন বুঝতে পারলেন যে, তাদের তৈরি করা প্রোডাক্টটি আসলে পারফেক্ট ছিল না। তারপর তারা আবার নতুন করে ডিজাইন করা শুরু করলেন। এর ফলাফল হলো এয়ার মাউস।
এই ওয়্যারলেস মাউসটাতে অপটিক্যাল লেসার ব্যবহার করা হয়েছে। এটি রিচার্জ করা ছাড়া প্রায় এক সপ্তাহ ব্যবহার করা যাবে। কোম্পানি ওয়েবসাইট অনুসারে এটি হাত এবং কব্জিতে আপনা থেকেই সঠিক জায়গাতে বসে যাবে। এর কারণে ব্যবহারকারীর হাত নিউট্রল পজিশনে থাকবে এবং কোনো জোর প্রয়োগ করা লাগবে না বললেই চলে। শুধু তাই নয় এটি হাতের জন্য যেমন সহজ হবে তেমনি মাউসের স্পিড এবং অ্যাকিউরেসি ও বেড়ে যাবে। মাউসটি এমনভাবে ডিজাইন করা যে যতক্ষণ না হাত কোন নিউট্রাল, ফ্ল্যাট পজিশনে যাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত এটি ইনঅ্যাক্টিভ থাকে। ফলে এটি পরে একই সাথে টাইপিং এবং মাউসিং দুটোই করা যাবে। মাউসটি খুব দ্রুত বাজারে আসছে।
»» read more

৮ মিলিয়ন ডলার মূল্যের আইফোন!

ব্রিটিশ জুয়েলার Stuart Hughes যিনি সাধারনত বিভিন্ন জনপ্রিয় প্রযুক্তি পন্যের দামী ভার্শন তৈরি করে থাকেন, এবার তৈরি করলেন একটি আইফোন ৪ যার দাম প্রায় ৮ মিলিয়ন ডলার! এই আইফোন এর পাতলা ফ্রেমে যুক্ত রয়েছে প্রায় ৫০০টি হীরা যা ১০০ ক্যারেটের বেশি। এর পেছন দিকেও রয়েছে ৫৩টি হীরা। এর মূল নেভিগেশন বাটনটি প্লাটিনামের তৈরি এবং এতে যুক্ত রয়েছে ৭.৪ ক্যারেটের একটি গোলাপী হিরা।


এর আগে তিনি তৈরি করেছিলেন হিরা এবং স্বর্ন দিয়ে বাধাঁই করা একটি ম্যাকবুক এয়ার যার মূল্য প্রায় ৩,৫৩,০০০ ডলার। এগুলো ছাড়াও ব্যাকবেরী, আইপ্যাড, নকিয়া ইত্যাদি পন্যের হীরে এবং স্বর্ন খচিত রুপ তৈরি করেছিলেন।
৮ মিলিয়ন ডলারের এই আইফোন তৈরি হবে মাত্র ২টি। আর একটি যদি আপনি কিনতে পারেন, তাহলে আপনার প্রতিদ্বন্দী থাকবে মাত্র একজন  আর কোন পার্টিতে মূল আলোচনার বিষয় থাকবেন আপনি, কারন একই ধরনের আরেকটি ফোন নিয়ে পার্টিতে অন্য কেউ থাকার আশংকা একেবারেই নেই।
»» read more

বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১০

উইন্ডোজ এক্সপিতে ডাবল ক্লিকে ড্রাইভ না খুলার সমাধান

উইন্ডোজের অনেক সমস্যার মধ্যে একটি হলো, ডাবল ক্লিক এ ড্রাইভ না খুলা। যখন আপনি ড্রাইভ এ ডাবল ক্লিক করেন, তখন এটি না খুলে একটি এক্সপ্লোরার ওপেন হয়। এটা সাধারনত autorun.inf ভাইরাস এর কারনে হয়ে থাকে। তবে এটি নিয়ে চিন্তার তেমন কোন কারন নেই। এন্টিভাইরাস ছাড়াই এটা খুবই সহজে সমাধান সম্ভব।

এর জন্য নিচের ধাপ গুলো অনুসরন করুন;
আপনার C: ড্রাইভ টিকে পরিস্কার করার জন্য;
১। স্টার্ট > রান এ গিয়ে, টাইপ করুন, cmd এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।
২। টাইপ করুন, cd\ এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।
৩। টাইপ করুন, attrib –r –h –s autorun.inf এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।
৪। টাইপ করুন, del autorun.inf এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।
এবার আপনার D: ড্রাইভ টিকে পরিস্কার করার জন্য;
১। স্টার্ট > রান এ গিয়ে, টাইপ করুন, cmd এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।
২। টাইপ করুন, cd\ এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।
৩। টাইপ করুন, D: এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।
৪। টাইপ করুন, attrib –r –h –s autorun.inf এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।
৫। টাইপ করুন, del autorun.inf এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।
আপনার প্রতি টি ড্রাইভ কে পরিস্কার করার জন্য উপরের ধাপ গুলো কে পর্যায় ক্রমে অনুসরন করতে হবে। আপনার কম্পিউটারে  যদি ৪ টি ড্রাইভ থাকে, আপনাকে তবে ৪ বার ধাপ গুলো অনুসরন করে আপনার ৪ টি ড্রাইভ কে পরিস্কার করে নিতে হবে। আপনার কাজ কিন্তু এখনো শেষ হয়নি, আপনার সব ড্রাইভ এ উপরে বর্নিত ধাপ অনুসারে পরিস্কার করার পরে আপনার কম্পিউটার টিকে একবার রি-স্টার্ট করে দেখুন, আপনার সমস্য সমাধান হয়ে গেছে।
পোস্ট টি কেমন লাগলো জানাতে দয়া করে ভুলবেন না।
»» read more