মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১০

গুগল চালু করলো বহু প্রতীক্ষিত ই-বুক স্টোর

সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গুগল চালু করলো সকলের বহু প্রতীক্ষিত ই-বুক স্টোর। প্রায় ৪ হাজার প্রকাশকের ৩ মিলিয়ন বই নিয়ে চালু হলো বিশাল আকৃতির এই ই-বুক স্টোর। ইউএসএ তে এর বেশিরভাগ বই-ই ফ্রী তবে অন্যদের হতাশ হবার কোন কারন নেই। মোটামুটি সবার জন্যই কিছু ফ্রী বই থাকছে এতে এবং এর সংখ্যা নিশ্চিতভাবেই আরও বাড়বে ভবিষ্যতে।

এই উদ্যোগটি আগে গুগল এডিশন নামে পরিচিত ছিল যা বর্তমানে বই বিক্রির জগতে অন্যান্যদের মত সার্ভিস দিয়ে যেতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। গুগলের বুক স্টোর এর পাশাপাশি এসব বই অন্যান্য অনলাইন ভেন্ডর থেকেও কেনা যাবে। একটি এফেলিয়েট প্রোগ্রামও চালু হতে যাচ্ছে খুব শীঘ্রই।

গুগল ওয়েব রিডার এপ্লিকেশন এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বই তাদের বাসার কম্পিউটার, অফিস কম্পিউটার, এন্ড্রয়েড অথবা আইওএস ডিভাইস থেকে পড়তে পারবেন। ডিভাইসগুলো সয়ংক্রিয়ভাবে সিংক হবে। অর্থাৎ আপনি যদি বাসায় ৪৫ নম্বর পাতায় পড়া শেষ করে থাকেন, তখন গাড়ীতে বসে আপনার এন্ড্রয়েড বা আইওএস ডিভাইস থেকে ঠিক সেই যায়গা থেকে পড়া শুরু করতে পারবেন।
নিঃসন্দেহে এটি গুগলের একটি বড় ধরনের উদ্যোগ। শুরুতেই ৪,০০০ প্রকাশক নিয়ে চালু করা তারই একটি সাক্ষর। প্রকাশক, এফেলিয়েটস এবং সর্বোপরী পাঠকদের আগ্রহের একটি কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হবে এই ই-বুক স্টোর এমনটাই আশা করছেন সবাই। ঘুরে আসুনঃ http://books.google.com/ebooks
»» read more

সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১০

গুগল সার্চে যুক্ত হলো প্রিভিউ দেখার সুবিধা

ইউজার এক্সপেরিয়েন্স কথাটির সাথে অনেকেই খুব ভালভাবে পরিচিত না হলেও প্রোগ্রামার এবং ওয়েব ডেভলপারদের এ বেপারটি ভাবতে হয়। একজন কম্পিউটার ব্যবহারকারী বা ওয়েবের ভিজিটর কি কি সুবিধা আশা করে? কি কি সুবিধা আশা করে না অথচ সুবিধা প্রয়োজনীয়? কি কি সুবিধা অন্য ওয়েব থেকে এই ওয়েবকে ভিন্নভাবে দেখবে এরকম অনেকগুলো বেপারই বুঝে নিতে হয়।


গুগল তার সার্চে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিবর্তন এনেছে। সার্চকে দ্রুতগতিসম্পন্ন রেখেই সার্চ তালিকায় ওয়েবসাইটটিতে না গিয়ে পাতাটি দেখার ব্যবস্থা চালু করেছে গতকাল। মূলতঃ অনুসন্ধানকৃত পাতাটির ডান পাসের সার্চ আইকনটিতে ক্লিক করলেই পাতাটি দেখা যাবে।



গুগলের ইঞ্জিনিয়ার বেন গ্রোম এ বেপারে বলেছেন, কিছু কিছু ভিজিটর আছেন তারা সুনিদিষ্ট পাতাটির জন্যই অনুসন্ধান করে থাকে। উদাহরন স্বরূপ আপনার যদি নির্দিষ্ট কোন চার্ট,গ্রাফ বা ছবি সম্মিলিত কোন পাতা অনুসন্ধান করেন তাহলে প্রিভিউ দেখে সেই পাতাটিতে ভ্রমন করা বা না করার বেপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। প্রিভিউটি এমনভাবে তৈরী করা হয়েছে যাতে সহজে পাতাটি স্ক্যান করা যায়।

এর আগেও সার্চে বেশ কয়েকবার পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে, যেমন গুগল সার্চ পাতায় টুইটারের আপডেট আলোচনা দেখা ও অবস্থান ভিত্তিক স্থানীয় সার্চ। মাইক্রোসফটের বিং এর সার্চে ফেসবুকের বন্ধুদের পছন্দের আপডেট দেখার ব্যাবস্থা।এই পরিবর্তনটি সম্ভবতঃ গুগল ও অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনগুলোর মধ্যকার পার্থক্য আরও বৃদ্ধিতে সহায়ক ভুমিকা পালন করতে পারবে।
»» read more

সাপ যখন আকাশে উড়ে

সাপ কি আকাশে উড়তে পারে? পারে বৈকি। তবে সব গুলো নয়। মোটামুটি ৫ প্রজাতির সাপ উড়তে পারে। তবে এই উড়াকে পাখির আকাশে উড়ার সাথে তুলনা করা যাবে না। সাপের উড়ার পদ্ধতি অনেকটা গ্লাইডিং এর মত। মোটামুটি ৮০ ফিট দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম এরা। লাফ দেয়ার সময় এরা সরাসরি নিচের দিকে না পড়ে কিছুটা সামনের দিকে এগিয়ে যায়। অনেকটা গ্লাইডার এর মত এরা একটি গাছ থেকে আরেকটি গাছে উড়ে যায়।



বিজ্ঞানিরা সাপের উড়ার ছবি এবং ভিডিও ধারন করেছেন। তারা গবেষনা করেছেন সাপ কিভাবে এই কাজটি করে থাকে। ‘আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটি’ লং বিচে হওয়া এক মিটিং এ বিশ্লেষন করার চেস্টা করেছেন সাপের উড়ার পদ্ধতিটি। তাদের মতে, উড়ার সময় সাপ তাদের ওজন কমিয়ে ফেলছে না বা অসম্ভব কিছুও করছে না। এধরনের সাপগুলো শরীরের আকৃতি অনেকটা ভোঁতা যা উর্ধমূখী বাতাসের দ্বারা কিছুটা বাধাপ্রাপ্ত হয়। আর সাপের আকৃতি অনেকটা এরো ডায়নামিক অর্থাৎ দ্রুতগতিতে সামনের দিকে যাওয়ার সময় বাতাসের দ্বারা খুব একটা বাধাপ্রাপ্ত হয় না। চিতা কিভাবে দ্রুত দৌড়াতে পারে এই সম্পর্কিত একটি পোস্টে এরো ডায়নামিক শেপ নিয়ে লেখা হয়েছে। এধরনের সাপগুলো একটু বেশি শক্তিশালী হয়ে থাকে। উড়ার পূর্বে এরা শরীরকে বিশেষ একটি আকৃতিতে নিয়ে আসে এবং তীব্র বেগে সামনের দিকে ছুঁড়ে দেয়। এরপর শরীরকে আগ-পিছ করে বাতাসের সাথে একটি সামঞ্জস্যতা তৈরি করে নেয় যা এটিকে অনেকটা সামনের দিকে নিয়ে যায়।

একদল বায়োলজিস্ট উড়ন্ত সাপকে ৪৯ ফিট উঁচু টাওয়ার থেকে ছেড়ে দেয়া এবং এর উড়ার দৃশ্যটি ভাল মানের ক্যামেরায় ধারন করা হয়। এরপর সেই ভিডিও বিশ্লেষন করে তারা বিভিন্ন তথ্য বের করেন। সাপের উড়ার এই পদ্ধতির উপর নির্ভর করে বিশেষ ধরনের আকাশযান তৈরির কথাও তারা ভাবছেন যেটি কম জ্বালানি খরচ করবে। নিচের ভিডিও দুইটি থেকে আরও ধারনা নিতে পারেন।






»» read more

শনিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১০

ফাইল বা ফোল্ডারে পাসওয়ার্ড দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন সফটওয়্যার ছাড়াই!

বিভিন্ন ফাইল বা ফোল্ডারের নিরাপত্তার জন্য ব্যক্তিগত কিংবা অফিসের কম্পিউটারে অনেকেই পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখেন। এজন্য বিভিন্ন থার্ড পার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে দেখা যায় যার বেশিরভাগই ফ্রি নয়। অপরদিকে এগুলো ব্যবহার করাও বেশ ঝামেলার ও ব্যয়বহুল। আবার কিছু কিছু সফটওয়্যারের মাঝে নিরপত্তা ত্রুটিও দেখা যায় ফলে অনেকসময় সফটওয়্যারগুলো নিরপত্তা দেয়ার বদলে উল্টো নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার ঘটনাও কম শোনা যায় না।


এমন যদি হত কোন সফটওয়্যার ছাড়াই সবকিছু পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখা যেত তাহলে বেশ ভালই হত। আর এমনই একটি পদ্ধতি বের করেছেন আদনান ভাই। প্রথমেই বলে নিচ্ছি এই পোস্টের তথ্যগুলো আমি আদনান ভাইয়ের কাছ থেকেই জেনেছি এবং এখানে ব্যবহৃত কোডটাও তারই লেখা। এজন্য আদনান হোসেইন ভাইকে কৃতজ্ঞতা জানাই। তবে তার সাথে বর্তমানে যোগাযোগ না থাকায় তার অনুমতি ছাড়াই পদ্ধতিটা শেয়ার করলাম। আমি মনে করি প্রযুক্তি ও এর জ্ঞান সবার জন্যই উন্মুক্ত। তাছাড়া এর পেছনে কোন ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যও নেই এবং তিনি নিজেই এই টেক্সট ফাইলটি ফাইল শেয়ারিং সাইটে আপলোড করে দিয়েছিলেন। আশা করি তিনি না বলতেন না। তাই পদ্ধতিটি এখানে শেয়ার করছি।



এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

১। প্রথমে এখান থেকে এই .txt ফাইলটি ডাউনলোড করুন।
 



২। এবার  ফাইলটি নোটপ্যাড দিয়ে ওপেন করে  type your password here লেখা জায়গাটাতে এই লেখাটি মুছে আপনার কাঙ্খিত পাসওয়ার্ডটি লিখুন।== চিহ্নটির পর কোন স্পেস দেবেননা। == চিহ্নটার সাথেই পাসওয়ার্ডটি লিখতে হবে এবং goto লেখাটার আগে একটা স্পেস দিতে হবে

৩। এবার নোটপ্যাডের উপরে বামপাশের ফাইলে যেয়ে Save As দিন এবং আপনার পছন্দ মত যেকোন নাম দিয়ে নামের শেষে .bat (উদাহরন: folderlock.bat) লিখে সেভ করুন, অর্থাৎ .bat এক্সটেনশনে সেভ করুন।


৪। এবার এখান  থেকে .bat থেকে .exe তে কনভার্ট করার সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। .bat থেকে .exe তে কনভার্ট না করলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ত্রুটি দেখা যায়। অনেকসময় .bat ফাইলটি এডিট করা যায় এবং পাসওয়ার্ডও প্রকাশ হয়ে যাবার ঝুকি থাকে। তাই কনভার্ট করে নিলে আর কোন প্রকার ঝুকি থাকেনা। এরপর কনভার্টারটি চালু করুন এবং Batch File এর জায়গায় আপনার ফাইলটি সিলেক্ট করুন। Visibility অপশনটিতে অবশ্যই Visible Application দিতে হবে, চাইলে আপনি বাড়তি নিরপিত্তার জন্য Encryption অপশনটিতে Encrypt the program এ টিক চিহ্ন দিয়ে এখানেও একটা পাসওয়ার্ড দিয়ে দিতে পারেন। অ্যাপ্লিকেশনটা প্রতিবার চালু হবার সময়ই এই পাসওয়ার্ডটি এন্টার করতে হবে। সব হয়ে গেলে Compile দিন। দেখবেন .exe এক্সটেনশনের একটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি হয়েছে। 
 


৫। এবার .exe ফাইলটি যেখানে সেভ করেছেন সেখানে যান এবং ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন। ডাবল ক্লিক করার সাথে সাথে সেখানেই Locker নামের একটি ফোল্ডার তৈরি হবে। আর যদি Encryption অপশনে কোন পাসওয়ার্ড দিয়ে থকেন তবে ডাবল ক্লিক করার পর পাসওয়ার্ড চাইলে চালু করার জন্য ঐ পাসওয়ার্ডটি দিতে হবে।

                                     


৬। এখন ফোল্ডারটি ওপেন করুন এবং যেসব ফাইল বা ফোল্ডার লক করতে চান সেগুলো এই Locker ফোল্ডারে ট্রান্সফার করে নিন। সব ফাইল ট্রান্সফার করা হয়ে গেলে ফোল্ডারটি বন্ধ করুন।

৭। এবার আপনার সেভ করা .exe ফাইলটিতে আবার ডাবল ক্লিক করুন, পাসওয়ার্ড চাইলে কনভার্টারের Encryption পাসওয়ার্ডটি দিন এবং Command উইন্ডোতে Y প্রেস করে Enter দিন। দেখবেন ফোল্ডারটি গায়েব হয়ে গেছে। আর চিন্তার কিছু নেই, কম্পিউটারের Folder Option থেকে Show hidden files, folders and drives দিলেও এই ফোল্ডারটি কখনোই দেখা যাবেনা। এটা সবসময়ই গায়েব থাকবে ।


৮। এবার ফোল্ডারটি ফিরে পেতে হলে আবার ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন, অ্যাপ্লিকেশন স্টার্টের সময় পাসওয়ার্ড চাইলে কনভার্টারে দেয়া Encryption পাসওয়ার্ড দিন এবং পরবর্তিতে কমান্ড উইন্ডোতে পাসওয়ার্ড চাইলে একেবারে শুরুতে নোটপ্যাডে আপনার লেখা পাসওয়ার্ডটি টাইপ করে Enter দিন। দেখবেন ফোল্ডারটি আবার চলে এসেছে।



এভাবে যেকোন ফাইলই পাসওয়ার্ড দিয়ে লুকিয়ে রাখতে পারেন কোন থার্ড পার্টি সফটওয়্যার ছাড়াই।


»» read more

শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১০

ভাইরাস থেকে নিরাপদে থাকার জন্য আপনার পিসির অটোরান বন্ধ রাখুন

অনেক সময় ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও কম্পিউটারে সিডি, ডিভিডি, কিংবা পেনড্রাইভ ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়ে উঠে। কিন্ত সেই প্রয়োজন যদি হয় বিপজ্জনক তাহলে তো বিরক্তি লাগাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আসলে বেশিরভাগ ভাইরাস এই সমস্ত ডিভাইসগুলো পিসিতে কানেক্ট করানোর সাথে সাথে সয়ংক্রিয়ভাবে ছড়িয়ে পড়ে কম্পিউটারের  বিভিন্ন জায়গায়।


তাই সয়ংক্রিয়ভাবে ভাইরাস ছড়ানো থেকে পিসিকে নিরাপদে রাখার জন্য আপনি চাইলে আপনার পিসির রিমূভএবল ডিভাইসগুলোর অটোরান বন্ধ করে রাখতে পারেন। যাতে করে কোন রিমূভএবল ডিভাইস পিসিতে কানেক্ট করানোর পর, সয়ংক্রিয়ভাবে আপনার পিসিতে ভাইরাস ছড়াতে না পারে।

চলুন সেটিংসটি করে নেই

১। Start Menu > Run এ গিয়ে gpedit.msc লিখে এন্টার দিন।

২। Group Policy নামে একটি Window আসবে।

৩। Computer configuration > Administrative Templates > System Commend দিন।

৪। ডানপাশে অনেকগুলো Options দেখা যাবে।

৫। Turn off Auto play তে ডাবল ক্লিক করুন ফলে নতুন একটি Window আসবে

৬। Enable এবং All Drives নিবার্চন করে Apply > Ok করুন।



৭। পূর্বের সেটিংস এ পিরে যেতে ৬ নং Option এ থাকা অবস্থায় Not Configured করে দিতে হবে।
বিঃদ্রঃ- এই ট্রিক্সটি শুধুমাত্র সয়ংক্রিয়ভাবে ভাইরাস ছড়ানো থেকে আপনার পিসিকে নিরাপদে রাখবে। সুতরাং পেনড্রাইভে প্রবেশ করার পূর্বে অবশ্যই পেনড্রাইভ স্ক্যান করে নিন।
»» read more

পুরাতন দিনের জনপ্রিয় কিছু কম্পিউটার

আমার আগের দুটি পোস্ট এর সুত্র ধরেই আজকে আমার এ পোস্টটি করা। আজকে আমি আপনাদের সামনে আমার সংগ্রহে থাকা বেশ কিছু আদি যুগের (!) দুনিয়া কাপানো Personal Computer এর কথা তুলে ধরার চেষ্টা করব। জানি না কতটা সফল হব, কিন্তু আপনাদের কাছে ভাল লাগলেই আমার কষ্ট সার্থক হবে বলে মনে করব।

ম্যাকিন্টোশ ক্লাসিক (Macintosh Classic)

ম্যাকিন্টোশ ক্লাসিক বা ফ্যাট ম্যাক (ফ্যাট ম্যাক এর অফিসিয়াল নাম), প্রথম বের হয় জানুয়ারী ১৯৮৪ সালে। ম্যাকিন্টোশ ক্লাসিক এর সাথে ইন্টারনাল মনিটর তো ছিলই, অনেকে একে দেখলে বলে কম্পিউটার কথায়, এটাত একটা মনিটর। ৯ ইঞ্চি মোনক্রমের মনিটর। যাই হোক, ৮ মেগাহার্জের Motorola MC68000 সাথে কম্পিউটার টিতে ১ মেগাবাইট র‍্যাম এবং ৫১২ কিলোবাইট রম ছিল। এতে কোন প্রকার অপ্টিক্যাল ড্রাইভ বা হার্ড ড্রাইভ (ম্যাকিন্টোশ ক্লাসিক ২ তে ৪০ মেগা হার্ড ড্রাইভ ছিল) না থাকলেও ৮০০ কিলোবাইট এর একটি  ফ্লপি ড্রাইভ ছিল।

ম্যাকিন্টোশ এল সি ৪৭৫ (Macintosh LC475)

এর পরে যে কম্পিউটারটি নিয়ে আমি বলতে যাচ্ছি, সেটা হচ্ছে, ম্যাকিন্টোশ এল সি ৪৭৫। Motorola MC68LC040 প্রসেসরের ২৫ মেগা হার্জ ক্ষমতার এ কম্পিউটার টি ৪ মেগাবাইট র‍্যাম যার ১ মেগাবাইট শেয়ারড ছিল মেইন লজিক বোর্ড এর সাথে। লো প্রোফাইল ডিজাইন সাথে এক্সটারনাল ভিডিও মনিটর এবং ৮০ মেগাবাইট এর ইন্টারনাল হার্ড ড্রাইভ। এতে কোন প্রকার অপ্টিক্যাল ড্রাইভ না থাকলেও ১.৪ মেগাবাইট এর ফ্লপি ড্রাইভ ছিল



ম্যাকিন্টোশ পাওয়ার ৮৬০০/২০০ :

ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭ এ বের হওয়া এ পাওয়ার পিসি টি ডটার কার্ড এ বসান ২০০ মেগাহার্জের পাওয়ার পিসি ৬০৪ ই প্রসেসর এ চলত।৪ মেগাবাইট রম এবং ৩২ মেগাবাইট র‍্যামের এ কম্পিউটার টিতে ২ মেগাবাইট ভিডিও র‍্যামও সংযুক্ত ছিল। এর স্ট্যান্ডার্ড হার্ড ড্রাইভ টি ৮০ মেগাবাইট এর হলেও চাইলেই অতিরিক্ত কিছু টাকা দিয়ে আপনি সে সময়কার ২ গিগাবাইট হার্ড ড্রাইভ নিতে পারতেন।এতে ১২x স্পীডের সিডি রম এবং ১.৪৪ মেগাবাইটের ফ্লপি ড্রাইভ ও ছিল।১৯৯৭ সালে এর দাম ছিল ৩২০০ ডলার।





সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম +( Sinclair Zx Spectrum+)

এ কম্পিউটার টি ছিল, ৩.৫৪ মেগাহার্জ এর যি-লগ যেড ৮০ এ প্রসেসর যুক্ত। সাথে ১৬ কিলোবাইট র‍্যাম। এর ডিসপ্লে ছিল, ৩২x২২ ক্যারেক্টার টেক্সট ডিসপ্লে, ২৫৬x১৯২ পিক্সেল রেজোলিউশান, ৮ কালার। এর স্টোরেজ সিস্টেম ছিল এক্সটারনাল টেপ রেকর্ডার অথবা মাইক্রোড্রাইভ।

সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম +১২৮ ( Sinclair Zx Spectrum+ 128)

সিনক্লিয়ার কম্পানি তাদের নতুন এবং আরও ইম্প্রুভড যেড এক্স স্পেকট্রাম + ১২৮ , কোড নেমঃ ডারবি (Zx Spectrum+ 128K, Code Name: Derby) যার প্রথম প্রদর্শন হয় ১৯৮৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এবং যুক্তরাজ্যে বিক্রি শুরু করে ১৯৮৬ সালে, যার দাম ধরা হয়েছিল মাত্র ১৭৯.৯৫ পাউন্ড (এটা মাত্র !!!!!) সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম + এর থেকে অবশ্যই নতুন কিছু আছে এতে… ১২৮ কিলোবাইট র‍্যাম, ৩২ কিলবাইট রম, এবং এক্সটারনাল কী- বোর্ড। এছাড়াও ছিল, ১৬ বিট Address বাসের নতুন যেড ৮০ প্রসেসর।নতুন সাউন্ড চিপ এবং মিডি আউট ছিল সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম +১২৮ এর আরো একটি চমক।


কমোডোর ৬৪ (Commodore 64)

 জনপ্রিয় Personal Computer গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি নাম হচ্ছে, কমোডোর ৬৪, যার আগের ভার্সন টি ছিল কমোডোর ভি আই সি – ২০ এবং পরের টি ছিল, কমোডোর ১২৮। কমোডোর ৬৪ বের হয়েছিল, অগাস্ট ১৯৮২ তে। কমোডোর কারনেল / কমোডোর বেসিক ২.০ ছিল এর অপারেটিং সিস্টেম। এর প্রসেসর ছিল মস টেকনোলজির ৬৫১০, যা ১.০২ মেগাহার্জ গতির (এন টি এস সি ভার্সন)। নামেই বোঝা যায়, ৬৪ কিলোবাইট র‍্যাম ছিল এর ভেতরে। আর গ্রাফিক্স এর কথা বলতে গেলে বলতে হবে, ৩২০x২০০ পিক্সেল এর ১৬ কালারে এর ডিসপ্লে দেখাত। কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে ছিল, CIA Joysticks, Cartridge, RF, IEEE-488 Floppy/ Printer, Digital Tape ইত্যাদি।

আল-আলামিয়াহ এ এক্স ১৭০ (Al-ALamih AX170):

জাপানে প্রস্তুত এ Personal Computer টি ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ এর মধ্যে কোন এক সময়ে তৈরি করা হয়েছিল। তবে এ কম্পিউটার টি এরাবিক দেশগুলোতে খুবি চলেছিল , যার প্রধান কারন ছিল, এর এরাবিক কী বোর্ড।যাইলগ যেড ৮০ প্রসেসরের এ কম্পিউটার টিতে ৬৪ কিলোবাইট র‍্যাম এবং ৩২ কিলোবাইট রম ছিল। এর ডিসপ্লেতে এটা ১৬ কালারের গ্রাফিক্স দেখাতে পারত।
বিঃদ্রঃ ইউরোপের রেটিং এ এই কম্পিউটার টি খুবি দুস্প্রাপ্য হিসেবে দেখানো আছে।


১। ছবি গুলো সমস্ত নেয়া হয়েছে http://computer-museum.110mb.com/ থেকে, details নেয়া হয়েছে, বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে।
»» read more

বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১০

পুরাতন দিনের সেই সব প্রসেসর

আজকে আমরা যেই প্রসেসর গুলো দেখি তা কিন্তু আগে এমনটা ছিল না। আমি বলছি প্রথম যুগের কথা। থাক অতটা আগে আমরা না যাই। আমরা শুরু করবো, ৮০৮৫ প্রসেসর থেকে। আগেই বলে রাখি, এ পোস্টটি তে সবচাইতে বেশি বার বলা হয়েছে প্যাকেজ কথা টি, এটা কিন্তু packaging কথা থেকে নেয়া। সত্যি বলতে কি আমার নিজেরি পড়ার সময় ঝামেলা মনে হচ্ছিলো, তাই লাইন টা সংযুক্ত করলাম।
৮০৮৫, ৮০৮৬, ৮০৮৮ প্রসেসর গুলোর প্যাকেজ সিস্টেমটি ছিলো, ৪০ পিন, প্লাস্টিক ডি আই পি (DIP)।যা দেখতে আমাদের এখনকার IC র মতন।

৮০১৮৬ এবং কিছু ৮০২৮৬ প্রসেসর গুলোর প্যাকেজ সিস্টেম আবার অন্য রকম ছিল, এগুলো ছিল, স্কয়ার শেপ, ৬৮ পিন প্লাস্টিক এল সি সি (LCC) বা প্লাস্টিক লিডেড চিপ কেরিয়ার (Plastic Leaded Chip Carrier)



আমরা অনেকেই ভাবি, আজকের দিনের পিন লেস প্রসেসর গুলো আধুনিক টেকনোলজির ফসল। আসলেই কি তাই ? চলুন দেখি Intel এর R0C186 প্রসেসর টি, কি দেখলেন ? পিনলেস প্রসেসর আগেও তৈরী হয়েছিল। এই প্যাকেজ সিস্টেম টি আগের মতই, এল সি সি টেকনোলজি, তবে পার্থক্য এটা সিরামিক লিডেড চিপ কেরিয়ার (Ceramic Leaded Chip Carrier).







এবার আসুন দেখি, আমাদের Intel এর ৮০১৮৬ এবং ৮০২৮৬ এর পরের প্রসেসর গুলোর প্যাকেজ সিস্টেম কি ছিল, ৮০৩৮৬,এর প্রসেসর গুলো র বেশ কয়েক টি প্যাকেজ বের করা হয়েছে। যেমন, ১০০ পিন প্লাস্টিক কোয়াড ফ্লাট প্যাক (QFP – Quad Flat Pack) যা ছিলো ৮০৩৮৬- এস এক্স, বিল্ট-ইন প্রসেসর এর জন্য। আবার ৮০৩৮৬- ডি এক্স প্রসেরর গুলোর প্যাকেজ সিস্টেম ছিল, ১৩২ পিন সিরামিক পিন গ্রিড এ্যারে (Ceramic Pin Grid Array বা C PGA).



৮০৪৮৬ এর প্রসেসর গুলোও তার আগের ধারাবাহিকতায়, ৮০৪৮৬ ডি এক্স সিরিজ টি আসলো, ১৬৮ পিন সিরামিক পিন গ্রিড এ্যারে প্যাকেজ সিস্টেম এ (তবে ল্যাপটপ এর ৮০৪৮৬ প্রসেসর – SB80486DX2 টি কিন্তু ২০৮ পিন প্লাস্টিক কোয়াড ফ্লাট প্যাক এরই ছিল), ১৬৮ পিন সিরামিক পিন গ্রিড এ্যারে এবং ১৯৬ পিন প্লাস্টিক কোয়াড ফ্লাট প্যাক দুটোই বের হয়ে ছিল।


এর পরে এসেছিল, পেন্টিয়াম এবং পেন্টিয়াম এম এম এক্স। পেন্টিয়াম এবং পেন্টিয়াম এম এম এক্স দুটোই কিন্তু সিরামিক এবং প্লাস্টিক স্ট্যাগারড পিন গ্রিড এ্যারে (Staggered Pin Grid Array- SPGA) প্যাকেজ সিস্টেম এ করা। A8050XXXX সিরিজ টি সিরামিক স্ট্যাগারড পিন গ্রিড এ্যারে প্যাকেজ এ এবং FV8053XXX সিরিজ টি প্লাস্টিক স্ট্যাগারড পিন গ্রিড এ্যারে প্যাকেজ সিস্টেম এ তৈরী।


এখন যে প্রসেসর টি নিয়ে আপনাদের সামনে আসছি তা হচ্ছে ইন্টেল পেন্টিয়াম প্রো। এখানে একটু বলে রাখি, এ প্রসেসর টা আমার সংগ্রহে আনতে আমাকে সুদীর্ঘ ছয় বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। ইন্টেল পেন্টিয়াম প্রো, ৩৮৭ পিন, মডিফাইড স্ট্যাগারড পিন গ্রিড এ্যারে, সাথে গোল্ড প্লেটেড হিট স্প্রেডার (387-pin modified Ceramic Staggered Pin Grid Array, with Gold plated heat spreader)প্যাকেজ সিস্টেম এ।বলাযায়, এই পেস্টিয়াম প্রো দিয়েই শেষ হয়ে যায় ইন্টেল এর সিরামিক প্রসেসর এর যুগ। কেননা, ইন্টেল পেন্টিয়াম প্রো এর পরে, আর কোন সিরামিক ডাই প্রসেসর তৈরি হয়নি।




ইন্টেল পেন্টিয়াম প্রো এর পরে আসলো পেন্টিয়াম ২ এবং পেন্টিয়াম ৩। পেন্টিয়াম ২ এর সবগুলো প্রসেসর ছিল,সিঙ্গেল এজ কন্টাক্ট কার্ট্রিজ (Single Edge Contact cartridge) প্যাকেজ সিস্টেমের (আমরা অনেকে ক্যামেরা প্রসেসর ও বলে থাকি)। এ প্রসেসর গুল আকারে হত বিশাল। সিঙ্গেল এজ কন্টাক্ট কার্ট্রিজ প্রসেসর গুলো কে আবার স্লট ১ (Slot 1) প্রসেসর নামেও ডাকা হত পেন্টিয়াম ৩ তে এসে, প্রথমে ইন্টেল তাদের প্রসেসর গুলো কে সিঙ্গেল এজ কন্টাক্ট কার্ট্রিজ প্যাকেজ করলেও পরবর্তিতে আবার পিন গ্রিড এ্যারে প্যাকেজ সিস্টেম এ তারা ফিরে আসে, যার নাম ছিল, ফ্লিপ-চিপ গ্রিড এ্যারে প্যাকেজ।যা সকেট ৩৭০ (Socket 370) নামেও পরিচিত।




প্রথম দিককার ইন্টেল পেন্টিয়াম 4 প্রসেসর Willamette এর কথা আপনাদের কি মনে আছে ? আজকের মতন এতটা ছোট কিন্তু ছিল না । ২.১ x ২.১ ইঞ্চি অরগানিক লেন্ড গ্রিড এ্যারে প্যাকেজ উইথ ইন্ট্রিগ্রেটেড হিট স্প্রেডার [Organic Land Grid Array (OLGA) package with Integrated Heat Spreader (IHS)]. ৪২৩ পিনের এ প্রসেসর টি সকেট ৪২৩ এর জন্য তৈরি হয়েছিল।



এর পরে আসলো, পেন্টিয়াম 4 প্রসেসর Northwood, Prescott, Cedar Mill, যার মধ্যে, Cedar Mill এক মাত্র প্রসেসর যা শুধু মাত্র পিন লেস প্রসেসর হিসেবে বাজারে আসে। Northwood, Prescott প্রসেসর এর মধ্যে, Northwood টা ছিল, ৪৭৮ পিন ফ্লিপ চিপ পিজিএ (পিন গ্রিড এ্যারে) (478-pin Flip-Chip Pin Grid Array), কিন্তু Prescott সিরিজ এর কিছু প্রসেসর ৪৭৮ পিন ফ্লিপ চিপ পিজিএ এবং কিছু, ৭৭৫ লেন্ড গ্রিড এ্যারে (775 LGA) প্যাকেজ়ে বাজারে আসে।



বিঃদ্রঃ ১। আমি আমার এ পোস্টটি তে সে সমস্ত প্রসেসর এর কথা বলার চেষ্টা করেছি, যাদের কে আমরা আর দেখছি না । এখানে Duel Core, Core 2 Duo, Quad Core, Core i3, i5, i7, সিরিজ গুলো দেয়া হয় নি, কারন এ প্রসেসর গুলো এখনো নতুন হিসাবেই আছে।

২। ছবি গুলো সমস্ত নেয়া হয়েছে http://computer-museum.110mb.com/ থেকে, details নেয়া হয়েছে, http://www.cpu-world.com/ থেকে।

৩। এখানে শুধু মাত্র Intel এর প্রসেসর নিয়ে কথা বলা হয়েছে।


»» read more